• ৯ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Donald Trump

বিদেশ

যুদ্ধবিরতির মাঝেই বিস্ফোরণ! ট্রাম্পকে ‘মিথ্যেবাদী’ বলল ইরান, বাড়ল উত্তেজনা

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে আপাতত দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চলছে। তারই মধ্যে এক সপ্তাহ কেটে গেলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমার কোনও লক্ষণ নেই। বরং পাল্টা আক্রমণ এবং কড়া বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল ইরান। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ দাবি করেছেন, ট্রাম্প অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক মিথ্যা দাবি করেছেন। যদিও ঠিক কোন দাবিগুলি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন, তা স্পষ্ট করেননি।শুক্রবার ট্রাম্পের বক্তব্যের সময়ই সামাজিক মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন ঘালিবাফ। তিনি স্পষ্ট করে জানান, আমেরিকার অবরোধ চালু থাকলে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে না। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ইরানের নিয়ম মেনে এবং তাদের অনুমতি নিয়েই করতে হবে।এর পরেই ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। তাদের দাবি, আমেরিকা প্রতিশ্রুতি ভেঙেছে এবং এখনও ইরানের বন্দরগামী জাহাজগুলির উপর অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র কথার ভিত্তিতে নয়, বাস্তব পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগে যদিও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ খুলে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সিদ্ধান্ত বদল করা হয়েছে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
দেশ

শত্রু দেশের ভিতরে ঢুকে রুদ্ধশ্বাস অভিযান, নিখোঁজ পাইলটকে ফিরিয়ে আনল আমেরিকা

ইরানে ভেঙে পড়া একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের পাইলটকে নিয়ে টানটান উত্তেজনার অবসান হল। প্রায় ২৪ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি অভিযানের মাধ্যমে ইরানের ভিতরে ঢুকে ওই পাইলটকে উদ্ধার করেছে মার্কিন বাহিনী।রবিবার নিজের সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প জানান, গত কয়েক ঘণ্টায় আমেরিকার ইতিহাসের অন্যতম দুঃসাহসিক উদ্ধার অভিযান চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, নিখোঁজ ওই অফিসার একজন কর্নেল পদমর্যাদার আধিকারিক এবং বর্তমানে তিনি নিরাপদে আছেন, যদিও সামান্য আহত হয়েছেন।ট্রাম্প আরও জানান, পাইলটকে উদ্ধারের জন্য পেন্টাগন সারাক্ষণ নজর রাখছিল এবং পরিকল্পনা করছিল। শেষ পর্যন্ত ইরানের আকাশে একাধিক যুদ্ধবিমান পাঠিয়ে এই অভিযান সফল করা হয়। তাঁর দাবি, এই পুরো অভিযান অত্যন্ত কঠিন ছিল এবং প্রতিটি পদে ঝুঁকি ছিল। তবুও কোনও ক্ষতি ছাড়াই তারা এই কাজ সম্পন্ন করেছে এবং ইরানের আকাশে নিজেদের ক্ষমতা দেখিয়েছে।অন্যদিকে, একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক মার্কিন কর্তা বলেন, নিখোঁজ ওই পাইলট প্রায় দুদিন ধরে ইরানের নজর এড়িয়ে নিজের প্রাণ বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। পরে তাঁকে খুঁজে পেয়ে উদ্ধার করা হয়। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ইরানের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।উল্লেখ্য, শুক্রবার ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুটি যুদ্ধবিমান ভেঙে দেয়। সেই ঘটনায় এই পাইলট নিখোঁজ হন। তাঁকে খুঁজতে গিয়ে দুটি হেলিকপ্টারও হামলার মুখে পড়ে, যদিও সেগুলি কোনওমতে ফিরে আসে। এরপর বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ওই পাইলট ইরানের সংঘাতপূর্ণ এলাকায় লুকিয়ে ছিলেন। তাঁকে খুঁজতে তল্লাশি চালায় ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীও। শেষ পর্যন্ত সেই পাইলটকে উদ্ধার করার দাবি করল আমেরিকা।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্প বললেন আলোচনা চলছে, ইরানের জবাব— ‘সব মিথ্যা!’ যুদ্ধবিরতি ঘিরে বড় বিস্ফোরণ

যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা নিয়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই দাবি একেবারে খারিজ করে দিয়েছে ইরান।ইরানের বিদেশমন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমেরিকার সঙ্গে কোনও সরাসরি আলোচনা হয়নি। তাদের বক্তব্য, কেবলমাত্র বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, কিন্তু কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেন, টানা একত্রিশ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সামরিক অভিযানের মধ্যে তারা আত্মরক্ষাতেই মন দিয়েছে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।অন্যদিকে, ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে আমেরিকার দেওয়া পনেরো দফা শর্তের বেশিরভাগই মেনে নিয়েছে ইরান। তিনি জানান, আলোচনা দ্রুত এগোচ্ছে এবং আগামী সপ্তাহের মধ্যেই একটি চুক্তি হতে পারে বলে আশাবাদী তিনি। তাঁর কথায়, যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।কিন্তু ইরানের তরফে এই সমস্ত দাবিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। তেহরানের এই অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে যুদ্ধবিরতি আদৌ সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ৩১, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পকে সরাসরি না ইরানের! যুদ্ধবিরতি জল্পনায় বড় ধাক্কা

আমেরিকা এবং ইজরায়েলের চাপের সামনে মাথা নত করতে নারাজ ইরান। যুদ্ধবিরতির জল্পনার মধ্যেই তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনও নির্দেশ মানবে না। শুধু তাই নয়, আমেরিকার সঙ্গে কোনওরকম আলোচনায় বসার কথাও তারা একেবারে নাকচ করে দিয়েছে।ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, আমেরিকার দেওয়া প্রস্তাব তারা খতিয়ে দেখেছে, কিন্তু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হবে না। তিনি বলেন, বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে আমেরিকা বার্তা পাঠালেও তা আলোচনার সমতুল্য নয়।আরাঘচির কথায়, ইরান কখনও চাপের কাছে মাথা নত করবে না। আমেরিকার লক্ষ্য ছিল ইরানের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন এবং যুদ্ধে জয়লাভ, কিন্তু সেই উদ্দেশ্য তারা পূরণ করতে পারেনি বলেই দাবি করেন তিনি। তিনি আরও জানান, ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে স্থায়ী সমাধানের জন্য তাদের শর্ত মানতেই হবে, না হলে সংঘাত চলতেই থাকবে।অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপকে বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলছে এবং ইরানের সরকার যুদ্ধ থামাতে চাইলেও দেশের মানুষের প্রতিক্রিয়ার ভয়ে তারা পিছিয়ে রয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ট্রাম্প একাধিক শর্ত দিয়েছেন। তার মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচির উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ। এর পালটা জবাবে ইরানও নিজেদের শর্ত জানিয়েছে। তাদের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সমস্ত সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করতে হবে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য আমেরিকাকে অর্থ দিতে হবে।এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে এবং যুদ্ধ পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
দেশ

ট্রাম্পের ঘোষণায় চাঙ্গা বাজার! কিন্তু ঘণ্টা খানেকেই ধাক্কা, আতঙ্কে বিনিয়োগকারীরা

মঙ্গলবার সকালে বাজার খুলতেই হঠাৎ করেই চাঙ্গা হয়ে ওঠে শেয়ার বাজার। সেনসেক্স ও নিফটি দুটিই দ্রুত উপরের দিকে উঠতে শুরু করে। একই সঙ্গে টাকার দামও কিছুটা শক্তিশালী হয় এবং সোনা ও রুপোর দাম কমে যায়। তবে এই উত্থান কতক্ষণ স্থায়ী হবে, তা নিয়ে শুরু থেকেই সংশয় তৈরি হয়।এই উত্থানের পিছনে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য। তিনি দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং আগামী পাঁচ দিন ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামোয় কোনও হামলা করা হবে না। এই ঘোষণার পরই বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ থামার আশা তৈরি হয় এবং তার প্রভাব পড়ে ভারতীয় বাজারেও।বাজার খুলতেই সেনসেক্স এক লাফে হাজার পয়েন্টেরও বেশি বেড়ে যায়। নিফটিতেও দেখা যায় উন্নতি। একই সময়ে টাকার দামও ডলারের তুলনায় প্রায় চৌত্রিশ পয়সা বেড়ে যায়। তেলের দাম কিছুটা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়।কিন্তু এই খুশি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। বাজার খোলার অল্প সময়ের মধ্যেই সেনসেক্স প্রায় পাঁচশো পয়েন্ট পড়ে যায়। সূচক ঘোরাফেরা করতে থাকে তিয়াত্তর হাজার তিনশোর আশপাশে। এই ওঠানামা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে ইতিমধ্যেই ইরান ভুয়ো বলে দাবি করেছে। সেই কারণেই বাজারে আবার অনিশ্চয়তা ফিরে এসেছে। যুদ্ধ যদি সত্যিই না থামে, তাহলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।প্রায় চার সপ্তাহ ধরে চলা এই সংঘাত কবে শেষ হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বাজারে অস্থিরতা থাকলে লাভের আশা করাও কঠিন হয়ে পড়বে। ফলে সাময়িক উত্থান হলেও বাজারের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
বিদেশ

৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম! প্রণালী না খুললেই ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ল। হরমুজ প্রণালী ঘিরে ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রণালী সম্পূর্ণভাবে না খুললে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে বড় ধরনের হামলা চালানো হবে।শনিবার সমাজমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রণালী খুলে না দিলে একে একে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিকে ধ্বংস করা হবে এবং এই অভিযান শুরু হবে সবচেয়ে বড় কেন্দ্র দিয়ে। এই হুমকির পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানের নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখে তারা বিশ্বজুড়ে চাপ তৈরি করবে। এর ফলে তেল এবং গ্যাসের সরবরাহে বড় প্রভাব পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে গিয়েছে।এই দীর্ঘ সংঘর্ষে দুই পক্ষই ক্ষতির মুখে পড়েছে। একাধিক সামরিক ঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। তেল শোধনাগার এবং জ্বালানির ভাণ্ডারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে।হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এই অবস্থায় প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য চাপ বাড়াচ্ছে আমেরিকা। সেই প্রেক্ষিতেই এই কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে, এখন সেটাই দেখার।

মার্চ ২২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের নতুন নেতাকে নিয়ে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি! “শান্তিতে বাঁচতে পারবেন না”

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। সংঘাত থামার কোনও লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না। এর মধ্যেই ইরানকে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেইকে নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, তাঁর মনে হয় না নতুন নেতা শান্তিতে থাকতে পারবেন। তবে উত্তেজনা বাড়লেও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খোলা রয়েছে বলেই দাবি করেছে ওয়াশিংটন।আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যুর পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তাঁর পুত্র মোজতবা খামেনেইকে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তে তিনি মোটেও খুশি নন। এরপরই কড়া সুরে মন্তব্য করেন যে নতুন নেতা শান্তিতে থাকতে পারবেন বলে তাঁর মনে হয় না।এর আগেই তেহরানকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। তিনি জানান, ইরানের বিরুদ্ধে আরও বড় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে আমেরিকা। তাঁর কথায়, ইরানের ভেতরে আরও বড় আঘাত হানার পরিকল্পনা রয়েছে এবং এবার আরও বেশি যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমান ব্যবহার করা হবে। গোয়েন্দা তথ্যও আগের চেয়ে আরও নির্ভুল হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, গত চব্বিশ ঘণ্টায় ইরান খুব কম সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যা আমেরিকার পদক্ষেপের ফল বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে কয়েক দিন আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান যুদ্ধ কার্যত শেষ হয়ে গেছে এবং আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ অভিযানে বড় সাফল্য মিলেছে। কিন্তু তার কিছুক্ষণ পরেই আরেক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যুদ্ধ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। এই মন্তব্য ঘিরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাত এখনও থামেনি। বরং নতুন করে বড় হামলার সতর্কবার্তা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতে প্রথম দিকে ইরান মূলত ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছিল। কিন্তু এখন পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত হয়েছে। তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জায়গায় আক্রমণ বাড়িয়েছে। একই সময়ে ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লাগাতার হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েল ও আমেরিকাও। ইজরায়েলের হামলায় ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত দপ্তর ধ্বংস হয়েছে বলে জানা গেছে।এই যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত ইরানে এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। যুদ্ধের এই পরিস্থিতি শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, তার প্রভাব পড়ছে গোটা বিশ্বের অর্থনীতিতে এবং তেলের বাজারেও। যুদ্ধ আর কত দিন চলবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মার্চ ১১, ২০২৬
বিদেশ

“ট্রাম্পকে ছাড়ব না” হুমকিতে কাঁপছে বিশ্ব, প্রতিশোধের বার্তা ইরানের নিরাপত্তা প্রধানের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। তাঁকে এর মূল্য চোকাতে হবে। এমনই কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি। সরাসরি ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে তিনি এই বার্তা দিয়েছেন।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। সেই ঘটনার পর থেকেই ইরানের মধ্যে প্রবল ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিশোধের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটি। দিন যত যাচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতিও ততই জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পকে হুমকি দিয়ে লারিজানি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, তাঁদের নেতা খামেনেই এবং দেশের মানুষের রক্তের বদলা নেওয়া হবে। তাঁর কথায়, ট্রাম্পকে এর মূল্য দিতেই হবে। শত্রুদের হামলার জবাব ইরান অবশ্যই দেবে বলেও জানান তিনি।লারিজানির দাবি, ইতিমধ্যেই কয়েকজন মার্কিন সেনাকে বন্দি করেছে ইরান। ইরানের এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ট্রাম্প তাঁদের নেতাকে হত্যা করেছেন এবং প্রায় এক হাজার ইরানি নাগরিক নিহত হয়েছেন। তাই মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ছেড়ে দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন তিনি।মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে ইতিমধ্যেই বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, শুধু ইরানেই এখনও পর্যন্ত এক হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। গত পাঁচ দিনে ইরান প্রায় পাঁচশো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দুই হাজার ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে আমেরিকা ও ইজরায়েলও ইরানের দুই হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।ফলে পরিস্থিতি ক্রমেই আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক মহল এখন গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।

মার্চ ০৮, ২০২৬
বিদেশ

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন ধাক্কা, ট্রাম্প সরকারের পরিকল্পনা বদল

শুক্রবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক শুল্ক প্রস্তাব বাতিল করে দিয়েছে। রায় ঘোষণার পরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের এই রায় ভুল এবং তিনি অন্য উপায়ে বাণিজ্য নীতি তৈরি করবেন। তিনি আরও ঘোষণা করেছেন যে বিকল্প হিসেবে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের একটি নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করবেন।ট্রাম্প রায়কে অত্যন্ত হতাশাজনক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের দেশের স্বার্থে যা সঠিক তা করার সাহস আদালতের নেই। তিনি অভিযোগ করেছেন, বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন দেশ আমেরিকার টাকা লুঠ করে আনন্দ করছে, কিন্তু সেই আনন্দ বেশিদিন স্থায়ী হবে না। তিনি আরও দাবি করেছেন, সুপ্রিম কোর্ট কোনও বিদেশি স্বার্থ বা রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে এই রায় দিয়েছে।প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি নতুন আন্তর্জাতিক শুল্ক নীতি প্রণয়ন করেছিলেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট শুক্রবার সেই নীতি বাতিল করে আন্তর্জাতিক আমদানি শুল্ককে বেআইনি ঘোষণা করেছে। প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বে নয় বিচারপতির বেঞ্চ ৬-৩ ভোটে এই রায় দেন। রায় অনুযায়ী, ট্রাম্প সরকারকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও আমদানিকারীদের অর্থ ফেরত দিতে হতে পারে।প্রধান বিচারপতি রবার্টস বলেন, ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট (আইইইপিএ) মার্কিন প্রেসিডেন্টকে একা এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেয় না।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
বিদেশ

৫০ বছরের ইতিহাস ভেঙে পরমাণু অস্ত্রে আর কোনও সীমা নেই, বিশ্ব কি পরমাণু যুদ্ধের দিকে?

একের পর এক যুদ্ধে জ্বলছে বিশ্ব। গাজা থেকে ইউক্রেনসব জায়গাতেই সংঘাতের ছায়া ঘনাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আবারও সামনে এল পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা। বিশ্বের দুই শক্তিধর দেশ আমেরিকা ও রাশিয়া এবার পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার মুখে দাঁড়াল।বৃহস্পতিবার রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে শেষ যে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ছিল, তার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। গত অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম দুই দেশের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের উপর আর কোনও আইনি সীমা রইল না। নিউ স্টার্ট চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন করে পারমাণবিক অস্ত্রের প্রতিযোগিতা শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।যদিও গত বছর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছিলেন, ওয়াশিংটন চাইলে আরও এক বছর তিনি নিউ স্টার্ট চুক্তির নিয়ম মেনে চলতে রাজি। তবে সেই প্রস্তাবে বিশেষ আগ্রহ দেখায়নি আমেরিকা। তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি ছিল, এই চুক্তিতে চিনকেও যুক্ত করতে হবে। কিন্তু সেই প্রস্তাবে চিন সায় দেয়নি।রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে তারা চিনের সঙ্গে আলোচনা করেছিল। তবে আমেরিকার তরফে কোনও স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। ক্রেমলিনের পরামর্শদাতা ইউরি উষাকভ জানিয়েছেন, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রাশিয়া দায়িত্বশীল এবং ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবে।উল্লেখ্য, ২০১০ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং রাশিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ নিউ স্টার্ট চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশকে সর্বাধিক ৭০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমারু বিমান এবং ১,৫৫০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হত। চুক্তির মেয়াদ প্রথমে ২০২১ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরে আরও পাঁচ বছরের জন্য তা বাড়ানো হয়েছিল। এবার সেই চুক্তিরও ইতি ঘটল।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

২৫% থেকে ১৮%! ট্রাম্পের ঘোষণায় বড় স্বস্তি ভারতের, কিন্তু রাশিয়ার তেল নিয়ে রহস্য কী?

দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটতে চলেছে ভারত-আমেরিকার বাণিজ্য সম্পর্কে। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়ে দিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে নতুন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। চুক্তিতে এখনও আনুষ্ঠানিক সই না হলেও, শর্তাবলি প্রায় স্থির বলে ইঙ্গিত মিলেছে। এই চুক্তির ফলে ভারতের উপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ কমবে এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের সুযোগ আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, নতুন চুক্তি কার্যকর হলে ভারতের উপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হবে। এতে ভারতীয় পণ্যের রফতানিতে সুবিধা হবে বলে তাঁর দাবি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও জানিয়েছেন, শুল্ক কমার বিষয়টি ভারতের পক্ষে ইতিবাচক। ট্রাম্পের কথায়, চুক্তিতে সিলমোহর পড়লেই দ্রুত নতুন শুল্কহার কার্যকর করা হবে।তবে ট্রাম্প আরও কিছু শর্তের কথাও জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, ভারত নাকি ভবিষ্যতে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধ করবে এবং তার বদলে আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলার কাছ থেকে তেল আমদানি বাড়াবে। যদিও প্রধানমন্ত্রী মোদীর তরফে এই বিষয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, ভারত আমেরিকা থেকে প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য কিনতে পারে এবং আমেরিকার পণ্যের উপর থাকা ট্যারিফ ও নন-ট্যারিফ ব্যারিয়ার অনেকটাই কমানো হবে, এমনকি শূন্যে নামানোর কথাও বলা হয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বর্তমানে আমেরিকা বাংলাদেশের উপর ২০ শতাংশ এবং পাকিস্তানের উপর ১৯ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। সেখানে ভারতের উপর শুল্ক ১৮ শতাংশে নামলে, এই অঞ্চলে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভারত স্পষ্টভাবেই বাড়তি সুবিধা পাবে। অর্থনৈতিক মহলের মতে, এই চুক্তি কার্যকর হলে ভারতের রফতানি ও শিল্পক্ষেত্রে নতুন গতি আসতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬
দেশ

আমেরিকার চাপে পিছু হটল ভারত? চাবাহার বন্দরে এক টাকাও নেই বাজেটে

রবিবার সংসদে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সেই বাজেটে অনেক ক্ষেত্রেই সুখবর মিললেও, কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প পুরোপুরি বঞ্চিত হল। সেই তালিকায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নাম ইরানে ভারতের চাবাহার বন্দর। কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বন্দরের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে এক টাকাও বরাদ্দ করল না নরেন্দ্র মোদি সরকার। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।এর আগে প্রতি বছরই চাবাহার বন্দরের জন্য উল্লেখযোগ্য অর্থ বরাদ্দ করে এসেছে ভারত সরকার। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এই প্রকল্পে ৪০০ কোটি টাকা খরচ করেছিল কেন্দ্র। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বাজেটে শুরুতে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হলেও পরে তা বাড়িয়ে ৪০০ কোটি টাকা করা হয়। কিন্তু এবারের বাজেটে চাবাহারের জন্য কোনও বরাদ্দ রাখা হয়নি। এই প্রথমবার এমন সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র।বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে আমেরিকার কূটনৈতিক চাপ। ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলা সংঘাতের প্রেক্ষাপটেই ভারতের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলির সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে চাবাহার বন্দর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু বাণিজ্য নয়, কৌশলগত দিক থেকেও এই বন্দরের গুরুত্ব অনেক। সেই কারণেই ইরানের সঙ্গে যৌথভাবে এই বন্দরের উন্নয়নে এতদিন সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিল নয়াদিল্লি।তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের উপর চাপ বাড়িয়েছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যে দেশগুলি ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানো হবে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে ইরানের উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও, চাবাহার প্রকল্পের ক্ষেত্রে ভারতকে ছয় মাসের জন্য ছাড় দেওয়া হয়েছিল। সেই ছাড়ের মেয়াদ শেষ হচ্ছে চলতি মাসের ২৬ এপ্রিল। এই পরিস্থিতিকে মাথায় রেখেই চাবাহার বন্দরে নতুন করে বিনিয়োগ থেকে সরে এল ভারত, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।উল্লেখ্য, ভারত ও ইরানের মধ্যে যোগাযোগ ও বাণিজ্য বাড়ানোর লক্ষ্যেই চাবাহার বন্দর তৈরি করা হয়েছিল। এই বন্দরকে ইন্টারন্যাশনাল নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডোর-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাকিস্তানকে এড়িয়ে আফগানিস্তান এবং মধ্য এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে ভারতের যোগাযোগের জন্য এই বন্দর বিশেষ ভূমিকা নিতে পারে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আমেরিকার চাপের মুখে চাবাহার বন্দরে বরাদ্দ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পের আমন্ত্রণে পুতিনের পাল্টা চাল! গাজার জন্য ১ বিলিয়ন ডলার, শর্তে চমক

বিশ্ব কূটনীতির মঞ্চে নতুন চাল দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সদ্য গঠিত গাজা পিস বোর্ডে রাশিয়াকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই আমন্ত্রণের পরই পুতিন জানালেন, গাজার উন্নয়নের জন্য তিনি ১ বিলিয়ন ডলার দিতে প্রস্তুত। তবে এই অর্থ দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি শর্ত জুড়ে দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। তাঁর প্রস্তাব, আমেরিকা যে রুশ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে রেখেছে, সেখান থেকেই এই টাকা কেটে নেওয়া হোক।গাজায় শান্তি ফেরাতে নতুন উদ্যোগ হিসেবে বোর্ড অফ পিস গঠন করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। জানা যাচ্ছে, প্রাথমিক ভাবে তিন বছরের জন্য এই বোর্ডের সদস্য হওয়া যাবে। তবে স্থায়ী সদস্যপদ পেতে হলে দিতে হবে ১ বিলিয়ন ডলার। আমন্ত্রিত দেশগুলির তালিকায় রয়েছে রাশিয়াও।এই আমন্ত্রণ পাওয়ার পর পুতিন প্যালেস্টাইনের প্রেসিডেন্ট মহমুদ আব্বাসের সঙ্গে বৈঠকে জানান, প্যালেস্টাইনের সঙ্গে রাশিয়ার বিশেষ সম্পর্কের কারণে তিনি গাজার উন্নয়নে ১ বিলিয়ন ডলার দিতে চান। তাঁর বক্তব্য, এই অর্থ আমেরিকা যে রুশ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে, সেখান থেকেই দেওয়া হোক। এই প্রস্তাবের মাধ্যমে কার্যত বল আমেরিকার কোর্টে ঠেলে দিয়েছেন পুতিন।উল্লেখ্য, ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে রাশিয়ার উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে আমেরিকা ও পশ্চিমি দেশগুলি। জি-৭ দেশগুলির যৌথ সিদ্ধান্তে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রাশিয়ার প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের সম্পত্তি ফ্রিজ করা হয়েছে। শুধু আমেরিকাতেই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার। রাশিয়া বহুবার এই অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি জানালেও তা মানেনি ওয়াশিংটন।এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া বুঝে নিয়েছে, এই অর্থ সহজে আর ফেরত পাওয়া সম্ভব নয়। তাই সেই অর্থেরই একটি অংশ গাজার উন্নয়নে ব্যবহার করার প্রস্তাব দিয়ে কৌশলী চাল দিলেন পুতিন। পিস বোর্ডের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য যে ১ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন, ঠিক সেই অঙ্কের অর্থই ফ্রিজ করা সম্পত্তি থেকে দেওয়ার কথা বলেছে মস্কো।শুধু গাজাই নয়, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন পুনর্গঠনের ক্ষেত্রেও একইভাবে সাহায্য করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন পুতিন। যদিও ট্রাম্পের বোর্ড অফ পিসে রাশিয়া শেষ পর্যন্ত যোগ দেবে কি না, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। তবে গাজা ইস্যুতে এই প্রস্তাব দিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল না পেলেও হাতে এল মেডেল, ট্রাম্পের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন নোবেলজয়ী নেত্রী

তিনি আগেই দাবি করেছিলেন, আটটি যুদ্ধ থামিয়েছেন তিনি, তাই নোবেল শান্তি পুরস্কার তাঁরই প্রাপ্য। কিন্তু নোবেল ঘোষণার সময় সেই পুরস্কার পাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বার ঘটল এক বিস্ময়কর ঘটনা। নোবেল শান্তি পুরস্কার না পেলেও সেই পুরস্কারের মেডেল এসে পৌঁছল ট্রাম্পের হাতেই।নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। বৃহস্পতিবার তিনি হোয়াইট হাউসে গিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানেই নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারের মেডেল মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দেন মাচাদো। হোয়াইট হাউসে প্রায় এক ঘণ্টা দুজনের বৈঠকও হয়।বৈঠকের পরে হোয়াইট হাউস থেকে বেরিয়ে মাচাদো জানান, তিনি স্বেচ্ছায় নিজের মেডেল ট্রাম্পকে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার স্বীকৃতি হিসেবেই এই মেডেল তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে দিয়েছেন।যদিও আগেই নোবেল কমিটির তরফে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, এইভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার বা তার মেডেল অন্য কাউকে হস্তান্তর করা নিয়মবিরুদ্ধ। তবুও হোয়াইট হাউস সূত্রে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প এই মেডেল নিজের কাছেই রাখবেন বলে জানিয়েছেন।সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প নিজেও বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তিনি লিখেছেন, মারিয়া তাঁর কাজের স্বীকৃতি হিসেবে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারের মেডেল তাঁকে দিয়েছেন।প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই ভেনেজুয়েলায় নজিরবিহীন সামরিক অভিযান চালিয়েছিল আমেরিকা। সেই অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করে আমেরিকায় নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তাঁকে বন্দি রেখে মাদক পাচারের মামলায় বিচার চলছে।উল্লেখযোগ্য ভাবে, গত মাসে নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে মাচাদো নিজে উপস্থিত ছিলেন না। তাঁর হয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন তাঁর কন্যা। তার আগে প্রায় ১১ মাস ভেনেজুয়েলায় আত্মগোপনে ছিলেন মাচাদো।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বন্ধ আকাশপথ, যুদ্ধের দোরগোড়ায় মধ্যপ্রাচ্য?

ইরানে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। বিক্ষোভ, প্রশাসনের কড়া অবস্থান এবং বিদেশি হুমকির মধ্যেই এবার আকাশপথ বন্ধ করে দেওয়া হল। ইরানের এয়ারস্পেস বন্ধ হওয়ায় বহু বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। একই সঙ্গে দেশের ভিতরে সরকার-বিরোধী আন্দোলনের তীব্রতাও বাড়ছে। বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেওয়ার হুমকি দিয়েছে প্রশাসন। অন্য দিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নাগরিকদের রক্ষা করতে প্রয়োজনে সে দেশে হামলার হুমকি দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে ইরান এখন গভীর সংকটের মধ্যে দাঁড়িয়ে।বুধবার জানা যায়, সাময়িকভাবে ইরানের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুধু ইরান থেকে ওড়া এবং ইরানের উদ্দেশে যাওয়া আন্তর্জাতিক বিমানগুলিকেই ওঠানামার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। অন্যান্য সব ধরনের বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪ সূত্রে এই তথ্য জানা গিয়েছে। তবে হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা নিয়ে ইরান প্রশাসনের তরফে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।সূত্রের খবর, সম্ভাব্য বিমান হামলার আশঙ্কাতেই আকাশপথ বন্ধ করা হয়েছে। শুধুমাত্র জরুরি আন্তর্জাতিক বিমানকে বিশেষ অনুমতি নিয়ে চলাচলের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের পিছনে মার্কিন হামলার আশঙ্কাই বড় কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।ইতিমধ্যেই ইরানে আন্দোলনকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়েছে। সেই আবহেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের যুবসমাজকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন এবং জানিয়েছেন, সাহায্য আসছে। বিভিন্ন সূত্রে খবর, আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সেনা সরানো শুরু করেছে।অন্য দিকে, ইরানও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিতে পিছপা হয়নি। প্রতিবেশী দেশগুলিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুমকি দিয়েছে তেহরান। একই সঙ্গে ইরাক থেকে কুর্দিশ বাহিনী ইরানে ঢোকার চেষ্টা করতে পারে বলেও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত সংঘাতের দিকে এগোচ্ছে কি না, তা নিয়েই এখন বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ। মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা শেষ পর্যন্ত বড় যুদ্ধের রূপ নেয় কি না, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসি কি শেষমেশ স্থগিত? ট্রাম্পের বার্তায় নতুন মোড় ইরান সংকটে

বিদ্রোহের আগুনে এখনও জ্বলছে ইরান। সরকারের বিরুদ্ধে পথে নেমেছে হাজার হাজার মানুষ। এই আবহেই আমেরিকা থেকে একের পর এক হুমকি দিচ্ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘদিনের সতর্কবার্তার পর বুধবার হঠাৎই বড় ঘোষণা করলেন তিনি। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানে সরকার বিরোধী আন্দোলনকারীদের হত্যা বন্ধ করা হয়েছে।বুধবার ১৪ জানুয়ারি ইরানে ২৬ বছরের যুবক এরফান সলতানির ফাঁসি হওয়ার কথা ছিল। অভিযোগ ছিল, তিনি সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন এবং সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লাহ আলি খোমেইনির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। তবে নরওয়ের একটি মানবাধিকার সংগঠনের দাবি, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ইরান প্রশাসন আপাতত বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেওয়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে।সম্প্রতি ইরানে আন্দোলনকারীদের উপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ, গুলি চালানো এবং হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের মতে, এই দমন-পীড়নে মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ২৬০০ ছাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই ট্রাম্প দাবি করেন, সেই হত্যালীলা এখন থেমেছে।বুধবার ট্রাম্প বলেন, আমরা খবর পেয়েছি যে ইরানে খুন বন্ধ করা হয়েছে। আর কোনও হত্যা বা ফাঁসি হবে না। গত কয়েকদিন ধরে গোটা বিশ্ব এই বিষয়টি নিয়েই উদ্বিগ্ন ছিল।তবে প্রশ্ন উঠেছে, যখন আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে কোনও কূটনৈতিক যোগাযোগ নেই, তখন এই খবর ট্রাম্প পেলেন কীভাবে? এই প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ সূত্র থেকে এই তথ্য পেয়েছেন। তবে সেই সূত্র কী, তা প্রকাশ করেননি তিনি।ট্রাম্প আরও বলেন, এখন আমরা অপেক্ষা করব এবং পরিস্থিতির দিকে নজর রাখব। হোয়াইট হাউস ইরানের দিক থেকে ইতিবাচক বার্তা পাচ্ছে।অন্যদিকে, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাহচি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, আন্দোলনকারীদের ফাঁসি দেওয়ার কোনও পরিকল্পনা সরকারের নেই। তাঁর কথায়, ফাঁসিতে ঝোলানোর কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এই ধরনের শাস্তির প্রশ্নই ওঠে না।তবে বাস্তবে পরিস্থিতি কতটা বদলাচ্ছে, তা নিয়ে এখনও সংশয় রয়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

‘মোদি ফোন করেননি বলেই চুক্তি ভেস্তে!’ ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চু্ক্তি নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনীহার কারণেই ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি সম্পন্ন হয়নিএমন দাবি সম্প্রতি করেছিলেন মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক। তাঁর বক্তব্য ছিল, চুক্তির শেষ ধাপে পৌঁছতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করা প্রয়োজন ছিল, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদি সেই ফোন করেননি। তার ফলেই ভারতের উপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।তবে এই অভিযোগ একেবারেই খারিজ করে দিল ভারত সরকার। বিদেশমন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বাস্তবতার সঙ্গে কোনও মিল নেই।শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়স্বাল বলেন, গত বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকেই ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তারপর থেকে দুই দেশ একাধিকবার বৈঠকে বসেছে এবং নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তাঁর দাবি, দুদেশের মধ্যে একটি পারস্পরিক লাভজনক চুক্তির বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে এবং আলোচনা এখনও চলছে।রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, মার্কিন বাণিজ্য সচিব যে মন্তব্য করেছেন, তা সঠিক নয় এবং বিভ্রান্তিকর। ভারত আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করতে আগ্রহী এবং এমন একটি চুক্তি চায়, যাতে দুই দেশেরই লাভ হয়।প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে হাওয়ার্ড লুটনিক দাবি করেন, ভারত-আমেরিকার বাণিজ্যচুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে শর্ত ছিল, প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ট্রাম্পকে ফোন করতে হবে। সেই ফোন না আসাতেই চুক্তি ভেস্তে যায় বলে দাবি করেন তিনি। এবার সেই বক্তব্যকে সরাসরি নাকচ করে দিল নয়াদিল্লি।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনায় ধাক্কা! পাকিস্তানকে বিশ্বাস করতে পারবে না ইজরায়েল

গাজা পুনর্গঠনের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে আন্তর্জাতিক শান্তিবাহিনীর প্রস্তাব দিয়েছেন, সেখানে পাকিস্তানি সেনার উপস্থিতি কোনও ভাবেই মেনে নেবে না ইজরায়েল। শুক্রবার স্পষ্ট ভাষায় এই কথা জানালেন ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার। তাঁর বক্তব্য, একটি ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে ইজরায়েলের পক্ষে গাজায় পাকিস্তানি সেনার অংশগ্রহণ গ্রহণযোগ্য নয়।একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রিউভেন আজার বলেন, পাকিস্তানের বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে হামাসের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। বিশেষ করে লস্কর-এ-তইবা-র মতো জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে হামাসের যোগের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের উপর ভরসা করা সম্ভব নয়।রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য, যতক্ষণ না হামাসকে পুরোপুরি ধ্বংস করা যাচ্ছে, ততক্ষণ গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও পরিকল্পনাই বাস্তবায়িত হতে পারে না। তাঁর কথায়, হামাস নির্মূল না হলে গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রশ্নই ওঠে না। এই কারণেই পাকিস্তানের মতো দেশের সেনা নিয়ে গঠিত কোনও শান্তিবাহিনীর ধারণাকে ইজরায়েল সমর্থন করতে পারে না।উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা পুনর্গঠনের জন্য একটি আন্তর্জাতিক শান্তিবাহিনী গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। সেই বাহিনীতে একাধিক দেশকে সেনা পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর, সেই তালিকায় পাকিস্তানের নামও রয়েছে। তবে এই প্রস্তাব নিয়ে ইজরায়েল যে স্বস্তিতে নেই, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন আজার।রিউভেন আজার আরও জানান, ইতিমধ্যেই অনেক দেশ গাজায় সেনা পাঠাতে অনীহা প্রকাশ করেছে। কারণ, তারা হামাসের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ করতে চায় না। তাঁর মতে, এই অবস্থায় শান্তিবাহিনী গঠনের পরিকল্পনা বাস্তবের মাটিতে দাঁড়াবে না।প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রসংঘ ট্রাম্পের গাজা শান্তি প্রস্তাবে নীতিগত সমর্থন জানিয়েছে। সেই সূত্র ধরেই গাজায় আন্তর্জাতিক শান্তিবাহিনী মোতায়েনের ভাবনা চলছে। ওয়াশিংটন পাকিস্তানের উপর চাপ বাড়াচ্ছে যাতে তারা সেনা পাঠাতে রাজি হয়। কিন্তু পাকিস্তানের সামনে বড় সমস্যা তৈরি হয়েছে। গাজায় সেনা পাঠানোর অর্থ হামাসের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরা, আর সেই হামাসকেই পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে সমর্থন করে এসেছে। উপরন্তু, ইজরায়েলকে পাকিস্তান এখনও স্বীকৃতি দেয়নি। ফলে মুসলিম দেশগুলির সামনে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে ইসলামাবাদকে।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

‘ঝালমুড়ি খেয়েছি, ঝাল লেগেছে তৃণমূলের’—কৃষ্ণনগরে তীব্র আক্রমণ মোদীর

প্রথম দফার ভোট চলাকালীনই আবার বাংলায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনী প্রচারে নদিয়ার কৃষ্ণনগর-এ জনসভা করে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁর দাবি, গত পঞ্চাশ বছরে বাংলায় এত বেশি ভোটদান আগে হয়নি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, হিংসামুক্ত ভোটের দিকেও এগোচ্ছে রাজ্য।সভা থেকে মোদি জানান, বাংলায় ভোটের পুরনো সব রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে। মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি জয়ের ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী সুরে বলেন, ৪ মে বাংলায় পদ্ম ফুটবে। মিষ্টি বিলি হবে, ঝালমুড়িও বিলি হবে। তাঁর মতে, রাজ্যে পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে এবং মানুষের মধ্যে ভরসা বাড়ছে।এই সভা থেকে ফের ঝালমুড়ি প্রসঙ্গও তুলে আনেন তিনি। সম্প্রতি ঝাড়গ্রামে তাঁর ঝালমুড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, আমি ঝালমুড়ি খেয়েছি, কিন্তু ঝাল লেগেছে তৃণমূলের। তাঁর এই মন্তব্যে সভাস্থলে হাসির রোল পড়ে। তিনি দাবি করেন, বহু বছর পর বাংলায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট এবং উত্তর থেকে দক্ষিণসব জায়গায় মানুষ পরিবর্তন চাইছেন।সভায় দাঁড়িয়ে মতুয়া সম্প্রদায়ের উদ্দেশেও বার্তা দেন মোদি। তিনি বলেন, তাঁদের কোনও ভয় পাওয়ার দরকার নেই এবং কেউ তাঁদের ক্ষতি করতে পারবে না। ক্ষমতায় এলে নাগরিকত্ব আইন কার্যকর করার আশ্বাসও দেন তিনি। তাঁর কথায়, ৪ মে-র পর থেকে নতুন সুরক্ষার গ্যারান্টি শুরু হবে।ভোটের মাঝেই প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য ও প্রতিশ্রুতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
দেশ

মুখ্যমন্ত্রী তদন্তে ঢুকতেই প্রশ্নে গণতন্ত্র! সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য, তুষার মেহতার বড় অভিযোগ

আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। বুধবার বিচারপতি পি কে মিশ্র গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণে জানান, কোনও মুখ্যমন্ত্রী যদি কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেন, তাহলে গণতন্ত্রের উপর প্রশ্ন উঠে যায়। এই মন্তব্যের পর বৃহস্পতিবার শুনানিতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা একের পর এক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন।ঘটনার সূত্রপাত আইপ্যাক অফিসে ইডির তল্লাশি ঘিরে। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান এবং কিছু নথি ও ডিজিটাল সামগ্রী নিয়ে বেরিয়ে আসেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে মামলা দায়ের হয়। রাজ্যের তরফে ইডির তদন্তের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, আর সেই বিষয়েই এদিন আদালতে নিজের সওয়াল পেশ করেন তুষার মেহতা।তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। তাঁর বক্তব্য, আইনের শাসন বজায় রাখা সংবিধানের একটি মৌলিক অধিকার এবং তা লঙ্ঘিত হয়েছে। কয়লা পাচার মামলায় বিপুল টাকার দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, সেই তদন্তে ইডি কাজ করছে এবং তাদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষা করা প্রয়োজন। তাঁর আরও দাবি, বেআইনি অর্থ বিদেশি চ্যানেলের মাধ্যমে অন্য রাজ্যে গিয়ে পরে আইপ্যাকের কাছে পৌঁছেছে।মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, তদন্ত চলাকালীন গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ডিজিটাল যন্ত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইডি আধিকারিকদের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও তদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সেই ঘটনার পর ইডি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দায়ের করা হয়, সেটিকেই চ্যালেঞ্জ করে আদালতে আসা হয়েছে বলে জানান তুষার মেহতা। তিনি নিরপেক্ষ সংস্থার মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানান।তুষার মেহতা আরও অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলের নজরদারি ক্যামেরার তথ্য এবং কর্মীদের মোবাইল ফোন পর্যন্ত পুলিশ নিয়ে গেছে। তাঁর কথায়, যাঁরা নিজেরাই তদন্তের আওতায় রয়েছেন, তাঁদের রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।হাইকোর্টের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শুনানির আগেই কোর্টরুমে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। যদিও বিচারপতি পি কে মিশ্র জানতে চান, এই বিষয়ের সঙ্গে মামলার সরাসরি সম্পর্ক কী। জবাবে তুষার মেহতা জানান, ন্যায়সঙ্গত পরিবেশ না থাকায় তারা উচ্চ আদালতের পরিবর্তে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আসতে বাধ্য হয়েছেন।তিনি অতীতের একাধিক ঘটনার উল্লেখও করেন। কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারকে ঘিরে সিবিআই তদন্তের সময় মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকার প্রসঙ্গ তোলেন। অভিযোগ করেন, তদন্তে বারবার বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং আদালতের কাজেও প্রভাব ফেলার চেষ্টা হয়েছে।জানুয়ারি মাসে আইপ্যাক অফিসে তল্লাশির ঘটনার পর এই মামলা শুরু হয়। সেই মামলার শুনানি এখন সুপ্রিম কোর্টে চলছে। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও শুনানিতে তুষার মেহতা বিস্তারিত সওয়াল করেন এবং একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চারটার পরেই আগুন! বীরভূমে ভোটকেন্দ্রে তুমুল সংঘর্ষ, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মারধর

বীরভূমের খয়রাশোল এলাকায় ভোট চলাকালীন হঠাৎই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। বিকেল চারটার পর থেকেই অশান্তির আশঙ্কা ছিল বলে আগে থেকেই সতর্ক করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়ে ওঠে। দুবরাজপুর বিধানসভার খয়রাশোল ব্লকের বুধপুর গ্রামের একটি বুথে আচমকাই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে তা খণ্ডযুদ্ধে পরিণত হয়।স্থানীয় ভোটারদের অভিযোগ, ইভিএমে নির্দিষ্ট বোতাম চাপলেও অন্য প্রার্থীর পক্ষে ভোট চলে যাচ্ছে। প্রায় দুইশো ভোট পড়ার পর এই বিষয়টি ধরা পড়ে বলে দাবি করেন গ্রামবাসীরা। এই অভিযোগ ঘিরে ভোটারদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয় এবং তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে ভোট প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবি তোলেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতেই ভোট বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়।খবর পেয়ে ইঞ্জিনিয়ারদের আসার কথা জানানো হয়। কিন্তু তার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয়দের তীব্র বচসা শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ, স্থানীয়রা জওয়ানদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়তে শুরু করেন এবং মারধরও করা হয়। এই ঘটনায় কয়েকজন জওয়ান ও গাড়ির চালক আহত হন। বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে এগোতে দেখা যায়। গোটা এলাকায় এখনো চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

হাবড়া-অশোকনগরে মেট্রো! অমিত শাহের বড় ঘোষণা, স্বপ্ন না কি ভোটের প্রতিশ্রুতি?

হাবড়া ও অশোকনগরে মেট্রো চালুর প্রতিশ্রুতি ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর চব্বিশ পরগনায়। বুধবার হাবড়ার একটি জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেন, এই দুই শহরে মেট্রো পরিষেবা চালু করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই বক্তব্য সামনে আসতেই জল্পনা শুরু হয়েছে সর্বত্র।হাবড়ার বাণীপুর চৌমাথা সংলগ্ন আম্বেদকর মাঠে আয়োজিত সভায় তিনি দলীয় প্রার্থী দেবদাস মণ্ডল ও অশোকনগরের প্রার্থী সুময় হীরার সমর্থনে বক্তব্য রাখেন। সেখানেই তিনি জানান, মেট্রো চালু হলে হাবড়া ও অশোকনগরের পরিবহণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যারও সমাধান হতে পারে বলে দাবি করেন তিনি।হাবড়া ও অশোকনগর, দুই এলাকাতেই প্রতিদিন প্রচুর মানুষের যাতায়াত হয়। বিশেষ করে হাবড়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ী কেন্দ্র। এখানে চালের বড় বাজার ও সুতির কাপড়ের হাট রয়েছে, যার জন্য বহু মানুষ প্রতিদিন এই শহরে আসেন। ফলে প্রায়ই তীব্র যানজট তৈরি হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, মেট্রো চালু হলে মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।তবে এই ঘোষণার পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বাস্তবতা নিয়ে। অনেকের মতে, এখনও পর্যন্ত বারাসত বা বারাকপুর পর্যন্ত প্রস্তাবিত মেট্রো প্রকল্পের কাজই শুরু হয়নি। জমি সংক্রান্ত সমস্যা ও অন্যান্য জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্প আটকে রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে হাবড়া পর্যন্ত মেট্রো পৌঁছনো আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন অনেকেই।কলকাতায় দেশের প্রথম মেট্রো চালু হলেও পরবর্তী সময়ে খুব বেশি দূর পর্যন্ত তার সম্প্রসারণ হয়নি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই অনেকের মতে, হাবড়া ও অশোকনগরে মেট্রো পরিষেবা চালুর ঘোষণা আপাতত স্বপ্নের মতোই শোনাচ্ছে। তবে এই প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়িত হবে, সেটাই এখন দেখার।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের দিনই তাণ্ডব! অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে পাথরবৃষ্টি, ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল আসানসোল

ভোটকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। মুর্শিদাবাদে জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীরের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগের পর এবার আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।অগ্নিমিত্রা পালের অভিযোগ, বার্নপুরের রহমত নগর এলাকায় তাঁর গাড়ির উপর আচমকা হামলা চালানো হয়। তিনি জানান, এলাকায় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে একটি স্কুলে ঢুকেছিলেন। সেখান থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার পরই তাঁর গাড়িকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া শুরু হয়। চলন্ত গাড়ির পিছনে একের পর এক পাথর আঘাত হানে। তাঁর দাবি, তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই হামলা চালিয়েছে। শুধু তাঁর গাড়িই নয়, সঙ্গে থাকা সাংবাদিকদের গাড়িতেও পাথর ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার পর তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান।এ দিনের সকালেই আসানসোলের রানিগঞ্জ এলাকায় পুলিশ তাঁকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় পুলিশের এক আধিকারিকের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা হয়। নিমচা ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক নাসরিন সুলতানা জানান, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থীর সঙ্গে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি গাড়ি রাখা যাবে না। এই নিয়েই দুপক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়।এই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে, একই দিনে মুর্শিদাবাদে হুমায়ুন কবীরের গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয় বলে জানা গেছে। তাঁর গাড়ির কাচ সম্পূর্ণ ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।রাজ্যের একাধিক জেলায় এভাবে প্রার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় ভোটের পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের দিনেই বিস্ফোরক মন্তব্য! গুণ্ডামির অভিযোগে সরব শুভেন্দু

নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে বেরিয়েই সুর চড়ালেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। নিজের বুথে ভোট দিয়ে তিনি দাবি করেন, বাংলায় পরিবর্তন হবেই। তাঁর কথায়, এবার যদি পরিবর্তন না হয়, তাহলে বাংলায় সনাতনবাদ বিপদের মুখে পড়বে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের কাজকে ভালো বললেও কিছু জায়গায় গুণ্ডামির অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, তাঁদের পোলিং এজেন্টকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।শুভেন্দু অধিকারী দীর্ঘদিন ধরেই নন্দীগ্রামের ভোটার। প্রতি নির্বাচনের মতো এবারও তিনি নিজের বুথে গিয়ে ভোট দেন। এদিন সকালে ব্রজমোহন তিওয়ারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বুথে গিয়ে ভোট দেন তিনি। ভোট দিয়ে বেরিয়ে এসে বুথ স্তরের এক কর্মীর ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করে এসেছেন।পরে তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু হিন্দু ভোটারকে ভয় দেখানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। উল্লেখ্য, নন্দীগ্রাম বরাবরই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর কেন্দ্র। প্রতি নির্বাচনে এখানে উত্তেজনা দেখা যায়।এবারের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মূল লড়াই তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে। একদিকে শুভেন্দু অধিকারী, অন্যদিকে তাঁর প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ পবিত্র কর তৃণমূলের প্রার্থী। এই দুই প্রার্থীর লড়াই ঘিরে আগেই উত্তাপ বেড়েছিল। ভোটের দিন সকালে নিজেই ভোট দিয়ে পরে দলীয় কার্যালয়ের দিকে রওনা দেন শুভেন্দু।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ইডির সমনে হাজিরা দিতে হবে সুজিত বসুকে! হাইকোর্টে বড় রায়

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুকে ঘিরে নতুন মোড়। এই মামলায় তাঁকে বারবার তলব করেছিল তদন্তকারী সংস্থা। তবে আপাতত কিছুটা স্বস্তি পেলেন তিনি। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এখনই হাজিরা দিতে হবে না, তবে নির্দিষ্ট দিনে হাজিরা দিতেই হবে।দুবছর আগে এই মামলায় চার্জশিট জমা পড়লেও সেখানে সুজিত বসুর নাম ছিল না। তবুও ভোটের আগে থেকে তাঁকে একাধিকবার তলব করা হয়। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তাঁকে বারবার সমন পাঠানো হচ্ছিল। একবার তিনি নিজে না গিয়ে নিজের ছেলেকে পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু তা গ্রহণ করেনি তদন্তকারী সংস্থা।এরপর আবার তাঁকে নির্দিষ্ট দিনে হাজিরার জন্য ডাকা হয়। তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আবেদন করেন, ভোট চলাকালীন তিনি প্রার্থী হওয়ায় এখন হাজিরা থেকে ছাড় দেওয়া হোক। তাঁর দাবি ছিল, ভোট শেষ হওয়ার পর তাঁকে ডাকা হোক। অন্যদিকে তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তাঁকে বারবার ডাকা হলেও তিনি সহযোগিতা করছেন না।সব দিক বিবেচনা করে আদালত জানিয়েছে, আগামী ১ মে সকাল সাড়ে দশটায় তাঁকে হাজিরা দিতে হবে। নিজের জায়গায় অন্য কাউকে পাঠানো যাবে না। তবে যেহেতু তিনি ভোটে প্রার্থী, তাই এই সময়সীমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আদালত।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

হুমায়ুনকে ঘিরে তাণ্ডব! গাড়ি ভাঙচুর, বাঁশ ফেলে অবরোধ

ভোটের দিন মুর্শিদাবাদের নওদায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছল। সকালে ১৭৩ এবং ১৭৪ নম্বর বুথের কাছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এর প্রতিবাদে রাস্তার উপরেই চেয়ার পেতে বসে পড়েন হুমায়ুন কবীর।কিছুক্ষণের জন্য পরিস্থিতি শান্ত হলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কাটেনি। প্রায় দুঘণ্টা রাস্তার উপর বসে থাকার পর সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময় রাস্তার উপর বাঁশ ফেলে তাঁর গাড়ি আটকানোর চেষ্টা করা হয়। তাঁর কনভয়ে থাকা গাড়িতে ভাঙচুর এবং এজেন্টের গাড়িতে হামলার অভিযোগও ওঠে।এর পরেই আবার পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়। দুই পক্ষের মধ্যে লাঠি ও বাঁশ নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে এগিয়ে যান জওয়ানরা। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় এলাকা ছাড়তে সক্ষম হন হুমায়ুন কবীর।ঘটনার পর এলাকায় এখনও উত্তেজনা রয়েছে। ভোটের দিন এমন ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal